Wednesday, January 1, 2014

বাংলাদেশে গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির নিয়মাবলী


বাংলাদেশে গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির নিয়মাবলী

লাইসেন্সের প্রকারভেদ

প্রকারভেদ অনুযায়ী লাইসেন্স ৫ প্রকার। যেমন-
• শিক্ষানবীশ লাইসেন্স
• পেশাদার লাইসেন্স
• অপেশাদার লাইসেন্স
• পি.এস. ভি লাইসেন্স
• ইনস্ট্রাকটর লাইসেন্স
প্রকানভেদ অনুযায়ী লাইসেন্স ৫ প্রকার হলেও শিক্ষানবীশ লাইসেন্স, পেশাদার লাইসেন্স এবং অপেশাদার লাইসেন্সই বেশি প্রচলিত। নিম্নে এ সম্মন্ধে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হলো-

যে ধরণের ব্যক্তিগণ লাইসেন্স প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -
• সর্বনিম্ন ১৮ বছর বয়স্ক ব্যক্তি অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
• সর্বনিম্ন ২০ বছর বয়স্ক ব্যক্তি পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
• পেশাদার এবং অপেশাদার লাইসেন্স প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যাদের বয়স (২০/১৮) নির্ধারিত বয়স অপেক্ষা কম এবং যিনি কমপক্ষে অষ্টম শ্রেনী বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নন।

• ক্ষিপ্রতা গ্রস্ত ব্যক্তি ও মৃগী রোগী
• বধিরতা
• যিনি রাতকানা রোগগ্রস্ত
• হৃতরোগী
• বর্ণান্ধ
• যে সকল ব্যক্তি শারিরীক অক্ষমতা / শারিরীক স্বল্পতা/ ত্রুটির কারণে গাড়ী চালনায় অযোগ্য।

শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার পদ্ধতি


যে কোন ব্যক্তিকে শিৰানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে নিম্নলিখিতভাবে অগ্রসর হতে হবে :
১. বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বি.আর.টি.এ) অফিস হতে ছাপানো নির্ধারিত আবেদন ফরমে আবেদন করতে হবে।
২. একজন রেজিস্ট্রার্ড ডাক্তার কর্তৃক শারীরিক ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রক্তের গ্রুপ ফর্মে উল্লেখ থাকতে হবে।
৩. নির্ধারিত আবেদন ফিস স্হানীয় পোস্ট অফিসে জমা দিতে হবে।
৪. আবেদন পত্র সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের তিনকপি ছবিসহ বি আর টি এ অফিসে জমা দিতে হবে।
আবেদনপত্র পাওয়ার পর লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ আবেদন পত্রের যথার্থতা বিবেচনাক্রমে ৩ (তিন) মাসের জন্য শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করে থাকেন। অতঃপর লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হবে।

একজন চালককে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে যে সমস্ত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হয় তা হলো :
ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের দেয়া শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ কালের মধ্যে ধার্যকৃত ফিস জমা দিয়ে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদন পত্র পাওয়ার পর লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হবে। অর্থাৎ আবেদনকারীকে-
ক. লিখিত পরীক্ষা
খ. মৌখিক পরীক্ষা
গ. ব্যবহারিক পরীক্ষা অংশ গ্রহণ করতে হবে।
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরে মটর যানের যে শ্রেণীর (মটর কার, মটর সাইকেল বা হালকা/ভারী) জন্য আবেদন করেছে সে শ্রেণীর গাড়ী নিয়ে বি.আর.টি.এ অফিসের নির্ধারিত স্হানে (জেলা পর্যায়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট/১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে) ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হবে।

ব্যবহারিক পরীক্ষা ৩ (তিন) টি ধাপে সম্পন্ন হয়ে থাকে। যথাঃ
ক. জিগ জ্যাগ টেস্ট
খ. র্যাম্প টেস্ট
গ. রোড টেস্ট : এসব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে লাইসেন্সিং কর্তৃপৰ আপনাকে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করবেন।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, মধ্যম ও ভারী যানবাহনের লাইসেন্স পেতে হলে অবশ্যই আবেদনকারীর হালকা মটরযানের লাইসেন্স থাকতে হবে এব তিন বছর পার না হলে উক্ত প্রকার লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে না।

ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার পরীক্ষা পদ্ধতি :

তিনটি বিষয়ের উপরে লিখিত পরীক্ষা দিতে হয়। যথা :
ক. রোড সাইন, ট্রাফিক সিগন্যাল ও ট্রাফিক চিহ্ন,
খ. ট্রাফিক নিয়মাবলী,
গ. মটরযান ও ইহার ইঞ্জিন সংক্রান্ত প্রাথমিক জ্ঞান বিষয়ে।
প্রশ্ন : লিখিত পরীক্ষা কত সময় দেয়া হয় এবং পরীক্ষায় পাশের শতকরা হার কত ?
উত্তর : সাধারণতঃ লিখিত পরীক্ষায় ২৫-৩০ মিনিট সময় দেওয়া হয় এবং শতকরা ৬৬% নম্বর পেলে উত্তীর্ণ হওয়া যায়।

প্রশ্ন : লিখিত পরীক্ষায় কি ধরনের প্রশ্ন থাকে ?

উত্তর : উপরোক্ত বিষয়ের উপর ছোট ছোট প্রশ্ন থাকে। যাতে স্বল্প কথায় উত্তর দেওয়া যায়। উত্তর দেওয়ার জন্য প্রত্যেক প্রশ্নের নিচেই ফাঁকা জায়গা থাকে
এবং সেখানেই উত্তর লিখতে হয় অথবা প্রশ্ন পত্রে কয়েকটি উত্তর দেওয়া থাকে সঠিক উত্তরের পাশ্বে টিক দিতে হয়।
প্রশ্ন : কি কি বিষয়ের উপর মৌখিক পরীক্ষা দিতে হয় ?
উত্তর : রোড সাইন, ট্রাফিক সিগন্যাল ও ট্রাফিক চিহ্ন, ট্রাফিক নিয়মাবলী বাস্তবে চিহ্নিত করতে পারে কিনা এবং মটরযান ও ইহার ইঞ্জিন সংক্রান্ত প্রাথমিক জ্ঞান আছে কিনা। তদুপরি বয়স ও শারীরিক দিক হতে উপযুক্ত কিনা ইত্যাদি বিষয়ে মৌখিক পরীক্ষয় প্রশ্ন করা হয়।
প্রশ্ন : প্রাকটিক্যাল টেস্ট বা মাঠ পর্যায়ের পরীক্ষা কি ভাবে হয় ?
উত্তর : পরীক্ষার্থী মটরযানের যে শ্রেণীর জন্য লাইসেন্স পেতে চায় সেই শ্রেণীর গাড়ী দিয়েই মাঠে প্রাকটিক্যাল টেস্ট দিতে হয়। এ প্রাকটিক্যাল টেস্টে ইঞ্জিন চালু করা, গিয়ার পরিবর্তন করা, সিগন্যাল লাইট ব্যবহার করা, গাড়ী থামানো, সামনে অগ্রসর হওয়া ও পিছনের দিতে সুষ্ঠুভাবে চালাতে পারে কিনা তা পরীক্ষা করা হয়। মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষা ১ম ধাপ হচ্ছে জিগজাগ টেস্ট। মাঠে যে আঁকা বাকা রাস্তা মার্কিং করা থাকে তার ভিতর দিয়ে গাড়ী নিয়ে অগ্রসর হওয়ার নাম জিগজাগ টেস্ট।

ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে কিংবা ছিড়ে গেলে ‘ইস্যুকরণ পদ্ধতি’

ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে কিংবা ছিড়ে গেলে লাইসেন্সধারীকে-
নির্ধারিত ফরমে সাদা কাগজে প্রয়োজনীয় ফিস পোস্ট অফিসে জমা দিয়ে লাইসেন্স পূর্ণ বিবরণাদি উল্লেখপূর্বক যে লাইসেন্সিং অথরিটি কর্তৃক ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছিল তার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে লাইসেন্সিং অথরিটির নিকট ৩ (তিন) কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবিসহ আবেদন দাখিল করতে হবে।
লাইসেন্স হারিয়ে বা পুড়ে গেলে সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডাইরি (জিডি এন্ট্রি) করতে হবে এবং তার একটি সত্যায়িত অনুলিপি আবেদন পত্রের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
এছাড়া দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে এবং সেই বিজ্ঞপ্তির তারিখ আবেদন পত্রে উল্লেখসহ উক্ত পত্রিকার নির্দিষ্ট স্হানটি চিহ্নিত করে আবেদন পত্রের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। আবেদন পত্র সঠিক বিবেচিত হলে লাইসেন্সধারীর অনুকুলে একটি প্রতিলিপি ইস্যু করা হবে।

লাইসেন্স ফি

সকল জেলা শহরেই বেসরকারীভাবে ড্রাইভিং শেখানোর কিছু প্রতিষ্ঠান থাকে যেখানে প্রতিষ্ঠানভেদে ফি ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে ।

সাধারণত ভাল প্রতিষ্ঠানগুলো যে ধরনের ফি নিয়ে থাকে যেমন- শিক্ষানবীশ লাইসেন্স ফি ১২৭০/-
জিগজ্যাগ পরীক্ষা বাবদ ৪৭০/-
অপেশাদার প্লাষ্টিক লাইসেন্স বাবদ ২১০০/-
পেশাদার প্লাষ্টিক লাইসেন্স বাবদ ১৫০০/-

রিকন্ডিশনড গাড়ি কেনার আগের প্রস্তুতি

রিকন্ডিশনড গাড়ি কেনার আগের প্রস্তুতি

রিকন্ডিশনড গাড়ি কেনার আগে


কর্মব্যস্ত এই নগরে মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চ মধ্যবিত্তের সবাই স্বপ্ন দেখে একটি গাড়ি কেনার। কিন্তু ক’জনেরইবা সেই স্বপ্ন পূরণ হয়। সাধ এবং সাধ্যের মেলবন্ধন ঘটিয়ে আপনি হয়তো ঠিক করলেন একটি গাড়ি কিনেই ফেলবেন। যেহেতু আর্থিক অবস্থা খুব বেশি শক্তিশালী নয়, তবুও কিনতে চান ভালো গাড়ি। কিন্তু কোন গাড়ি কিনবেন? কত সিসির গাড়ি কিনবেন। দাম কত। ইত্যাদি নানা প্রশ্ন আপনার মনের মধ্যে উঁকিঝুঁকি মারছে। এমন অবস্থায় নিশ্চয় ভাবছেন আপনার করণীয় কি?

মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ক্রেতার গাড়ির স্বপ্ন পূরণে আছে রিকন্ডিশন গাড়ির বাজার। মধ্যবিত্ত ও উচ্চ মধ্যবিত্তের গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব গাড়ি ক্রেতা মনে করেন, আমি এই খেলায় জিততে চাই। সেজন্য গাড়ি কেনার আগে নিতে চাই যথেষ্ট প্রস্তুতি। যেহেতু মধ্যবিত্ত বা উচ্চ মধ্যবিত্তদের অনেক বিষয় মাথায় রেখে গাড়ি কিনতে হয়, তাই দেখেশুনে যাচাই করেই কেনা উচিত। আর যারা এসবের ধার ধারেন না, তারা কোনো কিছু না জেনেই ডিলারের ওপর নির্ভর করে বসেন। এতে কখনও তিনি সফল হন, আবার কখনও সফল হন না। তাই গাড়ি কেনার আগে অবশ্যই কয়েকটি ধাপ বা পদক্ষেপ নেওয়া একান্ত জরুরি।

নিতে হবে পুরোপুরি প্রস্তুতি:


মন নামক মহাশয়ের লালিত স্বপ্ন পূরণ করতে নিতে হবে পুরোপুরি প্রস্তুতি। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ‘ভালো গাড়ি কেনার পুরো ব্যাপারটি নির্ভর করে ক্রেতার প্রস্তুতি ও মানসিকতার ওপর। আর্থিক অবস্থার দিকে খেয়াল রেখে গাড়ি পছন্দ করতে হবে।’ গাড়ি কিনলেই অনেক বাড়তি খরচ যুক্ত হবে মাস শেষে। জ্বালানি, গ্যারেজ, ড্রাইভারের বেতন, পার্কিংসহ আরও অনেক কিছু। তাই গাড়ির মেনটেনেন্স খরচ, নিজের আয়-ব্যয়, ব্যাংক ক্রেডিট, সামর্থ্য আর রুচির কথা ভেবে নিয়ে একটি বাজেট ঠিক করে ফেলুন। তবে আবেগতাড়িত হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিবেন না। বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নিজের সচ্ছলতার বিষয়টি মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিবেন। তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত আপনার জন্য বিরাট সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

এরপর ঠিক করুন কোন ধরনের গাড়ি কিনবেন। আপনার পরিবারের সদস্য সংখ্যা কত। তাদের জন্য কি সিডান নাকি ফ্যামিলি কার দরকার? ছোট পরিবার হলে হ্যাচব্যাক গাড়ি কিনতে পারেন। আর সব সময় যদি বাড়তি মালামাল বহনের প্রয়োজন হয় তাহলে বেছে নিতে পারেন স্টেশনওয়াগন। আর আপনি যদি অফট্র্যাক গাড়ি চান তাহলে নিতে পারেন এসইউভি। সব ধরনের গাড়িই পাবেন রিকন্ডিশন গাড়ির শোরুমে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে বুঝে নিন আপনার চাহিদা।

ব্রান্ডেড গাড়ি:


বাংলাদেশে ব্রান্ডের গাড়ির মধ্যে টয়োটা, মিৎসুবিশি, নিশান, হুন্দাই, সুবারু, বিএম ডব্লিউ, মার্সিডিজ বেঞ্জ, ফোর্ড, সুজুকি, হোন্ডা ইত্যাদি গাড়ি আমদানি হয়ে থাকে। এর মধ্যে টয়োটা বাজারজাত করে নাভানা লিমিটেড, মিৎসবিশি-র‌্যাংগস মোটরস, নিশান-প্যাসিফিক মোটরস, হুন্দাই-হুন্দাই মোটরস বাংলাদেশও সুবারু-আরইএল মটরস, বিএম ডব্লিউ-এক্সিটিউটিভ মটরস, মার্সিডিজ বেঞ্জ-র‌্যানকন মোটরস, ফোর্ড-আনোয়ার অটোমোবাইলস সুজুকি-উত্তরা মোটরস, হোন্ডা-ডিওএইএস মোটরস আমদানি ও বাজারজাত করে। এসব ব্রান্ডের গাড়ি পাওয়া যাবে দেশীয় পরিবেশকের নিজস্ব শো-রুমে।

কিছু বিষয়ে যাচাই করুন :


আপনি হয়তো মনস্থির করে ফেলেছেন কোন গাড়ি কিনবেন। ছোট হয়ে এসেছে আপনার গাড়ির দুনিয়া। এখন আপনার প্রয়োজন যাচাই-বাছাই করা। হাজার হাজার গাড়ির মধ্য থেকে নিজের স্বপ্নের গাড়িটি আপনাকে বেছে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনার কাজ হবে বিভিন্ন উৎপাদনকারী গাড়ির বিভিন্ন মডেল যাচাই করা এবং শোরুমের দামে ভিন্নতাও যাচাই করা। এছাড়া কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। বিভিন্ন মডেলের গাড়ির পার্থক্য, গাড়ির দামের পার্থক্য, স্পেসিফিকেশন ডিটেইলস, পার্টসের অ্যাভেইলেবলিটি, এক্সেসরিজ, পারফরম্যান্স ইত্যাদি।

রিকন্ডিশন গাড়ির ক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি:


রিকন্ডিশন গাড়ির ওয়ারেন্টির ক্ষেত্রে অনেক কোম্পানি নির্দিষ্ট একটি সময় কিংবা মাইলেজ ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকে। গাড়ির ক্রেতা হিসেবে যে বিষয়ে আপনার জানা জরুরি সেগুলো হল গাড়ি কেনার পর বিক্রয়োত্তর সেবা কত দিন পাওয়া যাবে। কিছু প্রতিষ্ঠান যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকে আবার অনেক প্রতিষ্ঠান শুধু সেবা দিয়ে থাকে। তা ভালো করে জেনে নিতে হবে। প্রতিষ্ঠানের সুনামের ওপর নির্ভর করে ওয়ারেন্টি ভিন্ন হতে পারে।

গাড়ি ডেলিভারি


গাড়ি কেনার পরে আসে গাড়ি ডেলিভারির ব্যাপারটি। কিছু কিছু আমদানিকারক শোরুম থেকেই ডেলিভারি দেন। আবার অনেক আমদানিকারক চট্টগ্রাম পোর্ট থেকেও ডেলিভারি দিয়ে থাকেন। তাই যেখান থেকেই বুঝে নিন না কেন গাড়ি ডেলিভারির আগে কয়েকটি জিনিস দেখে নেওয়া একান্ত জরুরি-

গাড়ি আমদানির সব কাগজপত্র, ইউজার ম্যানুয়াল, ওয়ারেন্টি বুক দেওয়া হয়েছে কি না।

গাড়ির ইন্টেরিয়র, ফেব্রিক, কার্পেটিং ঠিক আছে কি না।

গাড়ির সব কিছু ঠিকঠাকমতো কাজ করছে কিনা।

গাড়িতে কোনো ধাক্কা, স্ক্যাচ বা কোথাও রং উঠেছে কি না।

কীভাবে মোটর সাইকেল এর জ্বালানি খরচ কমাবেন?


 কীভাবে মোটর সাইকেল এর জ্বালানি খরচ কমাবেন?

ঢাকার মত যানজটের শহরে মোটরসাইকেল একটি অতুলনীয় বাহন। মোটরসাইকেল দিয়ে খুব সহজেই এবং দ্রুততার সাথে যাতায়াত করা যায়। কিন্তু জ্বালানি তেলের অব্যাহত মূল্য বৃদ্ধির কারণে মোটরসাইকেল চালানর ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে সমান তালে।

কিন্তু আমরা কিছু নিয়ম মেনে চললেই খুব সহজেই জ্বালানি তেলের খরচ কমাতে পারি। এখানে খুব সাধারন কিছু টিপস দেয়া হল। এগুলো মেনে চললে আশাকরি তেলের খরচ অনেকটা কমাতে পারবেনঃ

১. মোটরসাইকেল এর চাকার হাওয়ার প্রেসার সব সময় নির্দেশিত সীমার মধ্যে রাখবেন। নির্দেশিত সীমার কম রাখলে চাকার ট্রাকসন বেড়ে যাবে এবং আপনার তেলের খরচ বেড়ে যাবে। আবার বেশি হাওয়া থাকলে ট্রাকসন কমে যাবে ফলে মোটরসাইকেল এর নিয়ন্ত্রণ হারানোর সম্ভাবনা থাকে (জরুরি ব্রেক করার ক্ষেত্রে)।

২. মোটরসাইকেল এর চেইন এর পরিচর্যা করতে হবে নিয়মিত। চেইনে তেল দেয়া এবং চেইন এর অ্যাডজাসমেন্ট এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

৩. মোটরসাইকেল এর এয়ার ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।

৪. মোটরসাইকেল এর লুব অয়েল নিয়মিত পরিবর্তন করতে হবে।

৫. মোটরসাইকেল নিয়মিত সার্ভিসিং করতে হবে।

৬. মোটরসাইকেল এর টায়ার বেশি পুরাতন হলে আপনার তেলের খরচ বেড়ে যাবে।

উপরের নিয়মগুলো আপনার মোটরসাইকেল সম্পর্কিত। তেলের খরচ কমানোর জন্য চালককেও কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। যেমনঃ

৮. হটাত করে কষা ব্রেক করার অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। আপনি যখন বুঝতে পারবেন যে সামনে আপনাকে থামতে হবে তখন অনেক আগে থেকেই ক্লাচ চেপে ধরুন এবং আস্তে আস্তে ব্রেক করুন। এর ফলে আপনার ব্রেক সু এবং ব্রেক প্যাড দীর্ঘস্থায়ী হবে, আপনার মোটরসাইকেল এর টায়ারও দীর্ঘস্থায়ী হবে। সর্বোপরি আপনার তেলের খরচ কমবে।

৯. মোটরসাইকেল এর পিকাপ আস্তে আস্তে বারাতে হবে এবং দ্রুত গিয়ার আপ করতে হবে। দ্রুত পিকাপ বাড়ানোর অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

১০. শহর এলাকায় মোটরসাইকেল এর ইঞ্জিন আর.পি.এম. ৫০০০ এর মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন এবং উচ্চ গিয়ার এ মোটরসাইকেল চালানোর চেষ্টা করুন।

Fuel Saving Tips

 Photo: Fuel Saving Tips

Tips on improving your car fuel efficiency:
Toyota vehicles are highly efficient with a highly powered engine capacity. Please follow these tips to achieve a better economy from your car.
  Follow the Recommended Maintenance
 Check your Tyre Pressure regularly
  Check your Air Filter
 Avoid unneeded weight in your vehicle
 Avoid lengthy warm-up idling & long engine idling
  Accelerate slowly & smoothly
 Avoid unnecessary speeding up & braking
 Do not rest your foot on the clutch or brake pedal while driving
 Maintain a moderate speed on highways
 Keep the front wheels in proper alignment
 Keep the bottom of your vehicle free from mud
 Air Condition usage
 Use the Recommended Grade of Motor Oil
 Always use reputed fuel stations
 

Fuel Saving Tips:


  • Tips on improving your car fuel efficiency:
  • Toyota vehicles are highly efficient with a highly powered engine capacity. Please follow these tips to achieve a better economy from your car.
  • Follow the Recommended Maintenance
  • Check your Tyre Pressure regularly
  • Check your Air Filter
  • Avoid unneeded weight in your vehicle
  • Avoid lengthy warm-up idling & long engine idling
  • Accelerate slowly & smoothly
  • Avoid unnecessary speeding up & braking
  • Do not rest your foot on the clutch or brake pedal while driving
  • Maintain a moderate speed on highways
  • Keep the front wheels in proper alignment
  • Keep the bottom of your vehicle free from mud
  • Air Condition usage
  • Use the Recommended Grade of Motor Oil
  • Always use reputed fuel stations